Saturday, June 1, 2019

৪৬৮ জন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর পদে নিয়োগ দিবে নিবার্চন কমিশন।




নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও এর আওয়তাধীন মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়ে রাজস্ব খাতে ডেটা এন্ট্রি অপারেটর পদে সরাসরি নিয়োগের বিজ্ঞাপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞাপ্তি অনুসারে ৪৬৮ জনকে এই পদে নিয়োগ দেওযা হবে। নিযোগ সূত্র প্রথম আলো আরো বিস্তারিত…

Wednesday, May 29, 2019

মাইক্রোসফ্ট অফিস ওয়ার্ড শেখার ৯টি সহজ ধাপ। মাইক্রোসফ্ট অফিস ওয়ার্ড শিখুন আর নিজেকে চাকুরীর জন্য দক্ষ করুন।




মাইক্রোসফ্ট অফিস ওয়ার্ড শেখার ধাপ সমূহ: 
প্রথমে: Start- All program- Microsoft Office- Microsoft Office Ward- Enter দিয়ে মাইক্রোসফ্ট অফিস ওয়ার্ড ওপেন করুন। এরপর আপনার সামনে যে ইন্টারফেইস আসবে সেটা হলো Home Tools Bar সিলেক্ট থাকবে। চিত্রটি ভালোভাবে দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন এখানে থেকে কি কি সেটিং করা যায়। চিত্রে মূল কথা গুলো লিখা হয়েছে এবং বুঝানো হয়েছে। 

Thursday, May 23, 2019

কম্পিউটার কিবোর্ড শর্টকাট কী সমূহ। শর্টকাট দ্বারা যে কোন প্রোগ্রামে ফাস্ট কাজ করার উপায়।





কম্পিউটারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কিবোর্ড সর্টকাট কী রয়েছে যেগুলো জানা থাকলে কম্পিউটারের প্রতিটা প্রোগ্রামে কাজ করতে অনেক সহজ হয়। কম্পিউটার শিখতে হলে এসব শর্টকাট কী জানা অতিগ্ররুত্বপূর্ণ বিষয়। যে বিশেষ শর্টকাট কী গুলো আমরা প্রতিটি কাজে ব্যবহার করে আমাদের প্রতিটা কাজ খুব তাড়াতাড়ি এবং সহজে করে নিতে পারি। আর শর্টকাট কী গুলো প্রতিটা প্রোগ্রামে একই ভাবে কাজ করে। তাহলে চলুন জেনেনি গুরুত্বপূর্ণ কিছু কীবোর্ড শর্টকাট:-

কম্পিউটারের মেমোরি কি? কম্পিউটারের কাজের ভিত্তিতে মেমোরির ধরণ সমূহ বিস্তারিত।




Memory শব্দের অর্থ হলো স্মৃতি শক্তি। অর্থাৎ যে শক্তির দ্বারা কোন ডিভাইসে তথ্য ধরে রাখা যায় তাকে Memory বলে। কম্পিউটারের এই স্মৃতি শক্তি হলো তেমনী একটি ডিভাইস যার ভিতরে বিভিন্ন তথ্য ধরে রাখা যায়। এবং প্রয়োজনী মুহূর্তে সেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করে আবার ব্যবহার করা যায়। কম্পিউটারে মেমোরি হিসাবে র‌ম, হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, প্রেনড্রাইভ ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। মেমোরিতে তথ্য ও উপাত্ত স্থায়ী ও অস্থায়ী ভাবে সংরক্ষণ করা যায়।

সফ্টওয়্যার কি? সফ্টওয়্যারের প্রকার সমূহ। সিস্টেম সফ্টওয়্যার এবং এপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার বেসিক ধারণা।



সফ্টওয়্যার হলো হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত একধারণের প্রোগ্রাম, যার মাধ্যমে হার্ডওয়্যাকে কে আগে থেকে নিদের্শ দেওয়া হয় যে সে কখন কি কাজ করবে। সফ্টওয়্যার দুই ধরনের হয়ে থাকে সিস্টেম সফ্টওয়্যার আর প্রোগ্রাম সফ্টওয়্যার। সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারের ভাষা ব্যবহার করে কতগুলি গাণিতিক ও যৌক্তিক কারে নির্দেশকে যখন সারিবদ্ধভাবে ও সুশৃঙ্খিলরুপে লিপিব্ধ করা হয় তখন তাকে সফ্টওয়্যার বা প্রোগ্রাম বলে। 

Thursday, May 16, 2019

উইন্ডোজ 7 দেওয়ার নিয়ম। কিভাবে আপনার কম্পিউটারে উইন্ডোজ 7 অপারেটিং সিস্টেম দিবেন বিস্তারিত।




হার্ডডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ 7 দেওয়ার জন্য আপনার কম্পিউটারের কফিগারেশন তেমন হাই হওয়ার দরকার নেই মিড মানের কম্পিউটারে আপনি উইন্ডোজ 7 ব্যবহার করতে পারেন। তাবে 64 বিট আপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে হলে আপনার র‌্যাম প্রসেসর বেশি হওয়া দরকার নতুবা কম্পিউটার অনেক ভারী হয়। আজ আমরা উইন্ডোজ 7 অপারেটিং সিস্টেম দেওয়া শিখবো তাহলে চলুন শেখা যাক।

হার্ডডিস্ক পার্টিশন তৈরী করার নিয়ম। হাডডিস্ক ফরমেটিং পদ্ধতি সহকারে বিস্তারিত।




হার্ডডিস্কে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম দেওয়ার জন্য এবং আলাদা আলাদা ভাবে বিভিন্ন ড্রাইভ তৈরী করা জন্য হার্ডডিস্ক ফরমেটিং ও পার্টিশন করার প্রয়োজন হয়। কম্পিউটার তৈরী করার সময় প্রতিটা হার্ডডিস্কের নতন নতুন ড্রাইভ তৈরীর পর তা ফরমেট করতে হয় তাছাড়া সে ড্রাইভ ওপেন হবেনা। নতুন হার্ডডিস্কের জন্য প্রথমে আমরা কয়টা ড্রাইভ তৈরী করবো তা আগে আমাদের ঠিক করতে হবে। এরপর সে অনুযায়ী তা ভাগ করতে হবে। হার্ডডিস্কের পার্টিশন করা হয় মেগাবাইট হিসেবে।

কম্পিউটারে একাধিক উইন্ডোজ সেট-আপ করার নিয়ম। কিভাবে একই কম্পিউটারে Windows-XP, Windows7, Windows10 ব্যবহার করতে হয়।



আপনার হয়ত অনেকেই জানেন না যে প্রতিটা কম্পিউটারে এক সাথে দুইটা বা দুইয়ের অধিক Windows অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়। একসাথে দুইটা Windows অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকে Dual Booting Operating System বলে। Dual Booting করার জন্য প্রথমে আপনাকে দুইটা ড্রাইভ সিলেক্ট করতে হবে। আলাদা আলাদা Windows আপারেটিং সিস্টেম দেওয়ার জন্য মনে রাখেতে হবে ড্রাইভ গুলো যেন পাশাপাশি থাকে যেমন- C, D, E এমন ভাবে নিবার্চন করতে হবে। Windows অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে যেটি সবচেয়ে পুরাতন ওল্ড ভার্সন সেটি প্রথম ড্রাইভে দিতে হবে।

Wednesday, May 15, 2019

উইন্ডোজ এক্সপি সেট-আপ করার নিয়ম। অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ এক্সপি সেট-আপ বিস্তারিত গাইডলাইন।



আপনার অপারেটিং সিস্টেম যদি উইন্ডোজ XP হয়। আপনি যদি অপারেটিং সিস্টেম XP দিতে দেওয়া শিখতে চান তাহলে। তাহলে চলুন কিভাবে XP দিতে হয় শিখে ফেলি। উইন্ডোজ XP-র যে ভার্সন গুলো আছে সব গুলোই একই নিয়মে দিতে হয়। আপনি একটা ভার্সন দিতে পারলে আশা করি সব গুলো XP Service Pack দিতে পারবেন। উইন্ডোজ দিতে হলে প্রথমে আপনার একটি উইন্ডোজ XP বুটেবল সিডি কিনে আনতে হবে। তারপর হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম লোড দেবার জন্য প্রথমে সিডিরমে XP Service Pack এর বুটেবল ডিস্ক প্রবেশ করাতে হবে।

Tuesday, May 14, 2019

কম্পিউটারের বায়োস মেনু পরিচিতি। কম্পিউটার বায়োস সিস্টেম সম্পর্কে বিস্তারিত।




কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের কাজ করতে হলে বা এসেম্বালিং করতে হলে আপনাকে কম্পিউটারের বায়োস ফিউচার সম্পর্কে জানতে হবে। কারণ বায়োস হলো কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের ডিসপ্লে। কম্পিউটারের প্রতিটা হার্ডওয়্যার কোনটা কি অবস্থায় সেট করা আছে তা দেখা যায় এবং বায়োসের মাধ্যমে সেটিং করা যায়।

BIOS অর্থ হলো Basic Input Output System । BIOS দ্বারা কম্পিউটারের কনফিগারেশন র্নিধারণ করা হয়। পিসি বুট আপ করা এবং সিপিইউ কর্তৃক বিভিন্ন কম্পোনেন্ট করার জন্য বায়োস ব্যবহার করা হয়। পার্সোনাল কম্পিউটারে সাধারণত কয়েক ধারণের বায়োস সিস্টেম থাকে। যেমন-